মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

উপজেলাখাদ্য বিভাগের সিটিজেন চার্টার

ক্রঃনং

জনগণকে প্রদত্ত সেবা

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

নাগরিকদের কর্তব্য

খাদ্যশস্য সংগ্রহঃ

ধান/গমঃকৃষকদেরনিকট থেকে  সরকার নির্ধারিত উপযুক্ত মূল্যে তাদের উৎপাদিত ধান ও গম ক্রয়করে মূল্য সহায়তা প্রদান করা হয় ও বাজারদর ফ্লোর প্রাইসের উপরে রাখা হয়।

 

চাউলঃচুক্তিবদ্ধ চালকল মালিকদের নিকট হতে সরকার নির্ধারিত দর ও বিনির্দেশ অনুযায়ীচাল ক্রয় করা হয়।

 

কৃষকগণতাদের উৎপাদিত শুকনা ও পরিষ্কার ধান / গম সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে এলে তাসরকার নির্ধারিত দরে ক্রয় করা হয়। আনীত ধান/গমে অধিক আর্দ্রতা থাকলে গুদামচত্বরে তা শুকানো ও ঝাড়াই/বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয়

 

চুক্তিবদ্ধচালকল মালিক সরকারি বিনির্দেশ অনুযায়ী চাল প্রস্ত্তত করে  সরকারি খাদ্যগুদামে নিয়ে এলে তা সরকার নির্ধারিত দরে ক্রয় করা হয়।

 

কৃষক যেদিন ধান/গম নিকটস্থ খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন সেদিনই তা পরীক্ষা করে কেনা হয়।

 

চালকল মালিক যেদিন তার উৎপাদিতচাউল খাদ্য গুদামে নিয়ে আসেন সেদিনই তা পরীক্ষা করে কেনা হয়।

 

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

 

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

 

কৃষক তার উৎপাদিত ধান ও গম ভালোভাবে শুকিয়ে ও ঝাড়াই বাছাই করে সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন।

 

 

 

চালকলমালিক সরকারি বিনির্দেশ মোতাবেক চাল উৎপাদন করবেন ওউৎপাদিত চাল ভালোভাবেঝাড়াই বাছাই ও বস্তাবন্দি করে সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন।

খোলা বাজারে চাল বিক্রয়ঃ

বাজারদরঅস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেলে ও.এম.এস/ স্বল্পমূল্যে বিক্রয় কার্যক্রমের আওতায়সুলভমূল্যে দরিদ্র জনগণের মধ্যে চাল/গম বিক্রির ব্যবস্থা কর হয়।

 

ওএমএসডিলারের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের বড় বড় হাট বাজারে সুলভ মূল্যে চালবিক্রি করা হয়। যে কেউ লাইনে  দাঁড়িয়ে সুলভ মূল্যে চালকিনতে পারেন।

 

সাধারণত একদিন পর পর ওএমএস এর চাল বিক্রি করা হয়। তবে সরকার প্রয়োজনে প্রতিদিন বিক্রির ব্যবস্থা করে থাকে।

ডিলারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

১।জনগণ লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে  সরকার নির্ধারিত দরে চাল/গম কিনবেন।

২। মূল্য বৃদ্ধি/সংকটকালে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য সহকারে সরকার প্রদত্ত সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করবেন।

৩। ও.এম.এস এর চাল ক্রয়কালে  আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করবেন না। লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ও.এম.এস এর চাল ক্রয় করবেন।

৪। ও.এম.এস এর চাল অন্যত্র বিক্রি করবেন না।

মিল লাইসেন্স প্রদানঃ

নির্ধারিত ফি জমা নিয়ে চালকল মালিকগণকে মিল লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

মিলটিসরজমিনে তদন্ত করে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। মিল লাইসেন্স ফিঃ- হাস্কিংমিল-১০০০/- টাকা এবং মেজর ও অটোমেটিক রাইস মিল-২০০০/-টাকা ট্রেজারীতে জমাদিতে হয়।

 

নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই তবে কাগজপত্র ঠিক থাকলে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মিল লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

কোনো অভিযোগ থাকলে জেলা খাদ্য নিয়স্ত্রককে  জানাতে হয়।

 

মিলমালিকতার মিলের মালিকানা , মিলের যন্ত্রাংশ ক্রয় ও বিদ্যুৎসংযোগ সংক্রান্ত সকলকাগজপত্র  দাখিল করে তদন্ত কাজে সহযোগিতা করবেন এবং নিয়মিত পাক্ষিক মিলিংরিটার্ণ দাখিল করবেন।

 বিলিআদেশপ্রদান   সরকারনির্ধারিতপণেরবিলিবিতররআদেশপ্রদানকরাহয়।

উপজেলানির্বাহীঅফিসারেরস্বাক্ষরেপ্রকল্পবাস্তবায়নকর্মকর্তারদপ্তরথেকেবরাদ্দপত্রপাবারপরবিলিআদেশধারীব্যক্তিকেআদেশপ্রদানকরাহয়।তারপর  সঙশ্লিষ্টবিলিআদেশধারীব্যক্তিউপজেলারখাদ্যগুদামেগিয়েভারপ্রাপ্তকর্মকর্তারনিকটথেকেনির্ধারিতপণ্যগ্রহণকরবেন  ।

 সরকারনির্ধারিতসময়েরমধ্যে

 উর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষকেজানাতেহবে  ।

 উপর্যুক্তপ্রমাণকসহখাদ্যঅফিসেউপস্থিতহয়েবিলিআদেশগ্রহণকরতেহবে  ।

 

(মোঃজাকিরহোসেনসরকার)

উপজেলাখাদ্যনিয়ন্ত্রক

বদরগঞ্জ,রংপুর।

 

উপজেলাখাদ্য বিভাগের সিটিজেন চার্টার

ক্রঃনং

জনগণকে প্রদত্ত সেবা

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

নাগরিকদের কর্তব্য

খাদ্যশস্য সংগ্রহঃ

ধান/গমঃকৃষকদেরনিকট থেকে  সরকার নির্ধারিত উপযুক্ত মূল্যে তাদের উৎপাদিত ধান ও গম ক্রয়করে মূল্য সহায়তা প্রদান করা হয় ও বাজারদর ফ্লোর প্রাইসের উপরে রাখা হয়।

 

চাউলঃচুক্তিবদ্ধ চালকল মালিকদের নিকট হতে সরকার নির্ধারিত দর ও বিনির্দেশ অনুযায়ীচাল ক্রয় করা হয়।

 

কৃষকগণতাদের উৎপাদিত শুকনা ও পরিষ্কার ধান / গম সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে এলে তাসরকার নির্ধারিত দরে ক্রয় করা হয়। আনীত ধান/গমে অধিক আর্দ্রতা থাকলে গুদামচত্বরে তা শুকানো ও ঝাড়াই/বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয়

 

চুক্তিবদ্ধচালকল মালিক সরকারি বিনির্দেশ অনুযায়ী চাল প্রস্ত্তত করে  সরকারি খাদ্যগুদামে নিয়ে এলে তা সরকার নির্ধারিত দরে ক্রয় করা হয়।

 

কৃষক যেদিন ধান/গম নিকটস্থ খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন সেদিনই তা পরীক্ষা করে কেনা হয়।

 

চালকল মালিক যেদিন তার উৎপাদিতচাউল খাদ্য গুদামে নিয়ে আসেন সেদিনই তা পরীক্ষা করে কেনা হয়।

 

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

 

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

 

কৃষক তার উৎপাদিত ধান ও গম ভালোভাবে শুকিয়ে ও ঝাড়াই বাছাই করে সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন।

 

 

 

চালকলমালিক সরকারি বিনির্দেশ মোতাবেক চাল উৎপাদন করবেন ওউৎপাদিত চাল ভালোভাবেঝাড়াই বাছাই ও বস্তাবন্দি করে সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন।

খোলা বাজারে চাল বিক্রয়ঃ

বাজারদরঅস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেলে ও.এম.এস/ স্বল্পমূল্যে বিক্রয় কার্যক্রমের আওতায়সুলভমূল্যে দরিদ্র জনগণের মধ্যে চাল/গম বিক্রির ব্যবস্থা কর হয়।

 

ওএমএসডিলারের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের বড় বড় হাট বাজারে সুলভ মূল্যে চালবিক্রি করা হয়। যে কেউ লাইনে  দাঁড়িয়ে সুলভ মূল্যে চালকিনতে পারেন।

 

সাধারণত একদিন পর পর ওএমএস এর চাল বিক্রি করা হয়। তবে সরকার প্রয়োজনে প্রতিদিন বিক্রির ব্যবস্থা করে থাকে।

ডিলারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

১।জনগণ লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে  সরকার নির্ধারিত দরে চাল/গম কিনবেন।

২। মূল্য বৃদ্ধি/সংকটকালে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য সহকারে সরকার প্রদত্ত সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করবেন।

৩। ও.এম.এস এর চাল ক্রয়কালে  আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করবেন না। লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ও.এম.এস এর চাল ক্রয় করবেন।

৪। ও.এম.এস এর চাল অন্যত্র বিক্রি করবেন না।

মিল লাইসেন্স প্রদানঃ

নির্ধারিত ফি জমা নিয়ে চালকল মালিকগণকে মিল লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

মিলটিসরজমিনে তদন্ত করে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। মিল লাইসেন্স ফিঃ- হাস্কিংমিল-১০০০/- টাকা এবং মেজর ও অটোমেটিক রাইস মিল-২০০০/-টাকা ট্রেজারীতে জমাদিতে হয়।

 

নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই তবে কাগজপত্র ঠিক থাকলে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মিল লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

কোনো অভিযোগ থাকলে জেলা খাদ্য নিয়স্ত্রককে  জানাতে হয়।

 

মিলমালিকতার মিলের মালিকানা , মিলের যন্ত্রাংশ ক্রয় ও বিদ্যুৎসংযোগ সংক্রান্ত সকলকাগজপত্র  দাখিল করে তদন্ত কাজে সহযোগিতা করবেন এবং নিয়মিত পাক্ষিক মিলিংরিটার্ণ দাখিল করবেন।

 বিলিআদেশপ্রদান   সরকারনির্ধারিতপণেরবিলিবিতররআদেশপ্রদানকরাহয়।

উপজেলানির্বাহীঅফিসারেরস্বাক্ষরেপ্রকল্পবাস্তবায়নকর্মকর্তারদপ্তরথেকেবরাদ্দপত্রপাবারপরবিলিআদেশধারীব্যক্তিকেআদেশপ্রদানকরাহয়।তারপর  সঙশ্লিষ্টবিলিআদেশধারীব্যক্তিউপজেলারখাদ্যগুদামেগিয়েভারপ্রাপ্তকর্মকর্তারনিকটথেকেনির্ধারিতপণ্যগ্রহণকরবেন  ।

 সরকারনির্ধারিতসময়েরমধ্যে

 উর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষকেজানাতেহবে  ।

 উপর্যুক্তপ্রমাণকসহখাদ্যঅফিসেউপস্থিতহয়েবিলিআদেশগ্রহণকরতেহবে  ।

 

 

(মোঃজাকিরহোসেনসরকার)

উপজেলাখাদ্যনিয়ন্ত্রক

বদরগঞ্জ,রংপুর।

উপজেলাখাদ্য বিভাগের সিটিজেন চার্টার

ক্রঃনং

জনগণকে প্রদত্ত সেবা

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের সময়সীমা

নির্দিষ্ট সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

নাগরিকদের কর্তব্য

খাদ্যশস্য সংগ্রহঃ

ধান/গমঃকৃষকদেরনিকট থেকে  সরকার নির্ধারিত উপযুক্ত মূল্যে তাদের উৎপাদিত ধান ও গম ক্রয়করে মূল্য সহায়তা প্রদান করা হয় ও বাজারদর ফ্লোর প্রাইসের উপরে রাখা হয়।

 

চাউলঃচুক্তিবদ্ধ চালকল মালিকদের নিকট হতে সরকার নির্ধারিত দর ও বিনির্দেশ অনুযায়ীচাল ক্রয় করা হয়।

 

কৃষকগণতাদের উৎপাদিত শুকনা ও পরিষ্কার ধান / গম সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে এলে তাসরকার নির্ধারিত দরে ক্রয় করা হয়। আনীত ধান/গমে অধিক আর্দ্রতা থাকলে গুদামচত্বরে তা শুকানো ও ঝাড়াই/বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয়

 

চুক্তিবদ্ধচালকল মালিক সরকারি বিনির্দেশ অনুযায়ী চাল প্রস্ত্তত করে  সরকারি খাদ্যগুদামে নিয়ে এলে তা সরকার নির্ধারিত দরে ক্রয় করা হয়।

 

কৃষক যেদিন ধান/গম নিকটস্থ খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন সেদিনই তা পরীক্ষা করে কেনা হয়।

 

চালকল মালিক যেদিন তার উৎপাদিতচাউল খাদ্য গুদামে নিয়ে আসেন সেদিনই তা পরীক্ষা করে কেনা হয়।

 

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

 

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

 

কৃষক তার উৎপাদিত ধান ও গম ভালোভাবে শুকিয়ে ও ঝাড়াই বাছাই করে সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন।

 

 

 

চালকলমালিক সরকারি বিনির্দেশ মোতাবেক চাল উৎপাদন করবেন ওউৎপাদিত চাল ভালোভাবেঝাড়াই বাছাই ও বস্তাবন্দি করে সরকারি খাদ্য গুদামে নিয়ে আসবেন।

খোলা বাজারে চাল বিক্রয়ঃ

বাজারদরঅস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেলে ও.এম.এস/ স্বল্পমূল্যে বিক্রয় কার্যক্রমের আওতায়সুলভমূল্যে দরিদ্র জনগণের মধ্যে চাল/গম বিক্রির ব্যবস্থা কর হয়।

 

ওএমএসডিলারের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের বড় বড় হাট বাজারে সুলভ মূল্যে চালবিক্রি করা হয়। যে কেউ লাইনে  দাঁড়িয়ে সুলভ মূল্যে চালকিনতে পারেন।

 

সাধারণত একদিন পর পর ওএমএস এর চাল বিক্রি করা হয়। তবে সরকার প্রয়োজনে প্রতিদিন বিক্রির ব্যবস্থা করে থাকে।

ডিলারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হয়।

১।জনগণ লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে  সরকার নির্ধারিত দরে চাল/গম কিনবেন।

২। মূল্য বৃদ্ধি/সংকটকালে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য সহকারে সরকার প্রদত্ত সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করবেন।

৩। ও.এম.এস এর চাল ক্রয়কালে  আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করবেন না। লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ও.এম.এস এর চাল ক্রয় করবেন।

৪। ও.এম.এস এর চাল অন্যত্র বিক্রি করবেন না।

মিল লাইসেন্স প্রদানঃ

নির্ধারিত ফি জমা নিয়ে চালকল মালিকগণকে মিল লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

মিলটিসরজমিনে তদন্ত করে লাইসেন্স প্রদান করা হয়। মিল লাইসেন্স ফিঃ- হাস্কিংমিল-১০০০/- টাকা এবং মেজর ও অটোমেটিক রাইস মিল-২০০০/-টাকা ট্রেজারীতে জমাদিতে হয়।

 

নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই তবে কাগজপত্র ঠিক থাকলে যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মিল লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

কোনো অভিযোগ থাকলে জেলা খাদ্য নিয়স্ত্রককে  জানাতে হয়।

 

মিলমালিকতার মিলের মালিকানা , মিলের যন্ত্রাংশ ক্রয় ও বিদ্যুৎসংযোগ সংক্রান্ত সকলকাগজপত্র  দাখিল করে তদন্ত কাজে সহযোগিতা করবেন এবং নিয়মিত পাক্ষিক মিলিংরিটার্ণ দাখিল করবেন।

 বিলিআদেশপ্রদান   সরকারনির্ধারিতপণেরবিলিবিতররআদেশপ্রদানকরাহয়।

উপজেলানির্বাহীঅফিসারেরস্বাক্ষরেপ্রকল্পবাস্তবায়নকর্মকর্তারদপ্তরথেকেবরাদ্দপত্রপাবারপরবিলিআদেশধারীব্যক্তিকেআদেশপ্রদানকরাহয়।তারপর  সঙশ্লিষ্টবিলিআদেশধারীব্যক্তিউপজেলারখাদ্যগুদামেগিয়েভারপ্রাপ্তকর্মকর্তারনিকটথেকেনির্ধারিতপণ্যগ্রহণকরবেন  ।

 সরকারনির্ধারিতসময়েরমধ্যে

 উর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষকেজানাতেহবে  ।

 উপর্যুক্তপ্রমাণকসহখাদ্যঅফিসেউপস্থিতহয়েবিলিআদেশগ্রহণকরতেহবে  ।

 

 

(মোঃজাকিরহোসেনসরকার)

উপজেলাখাদ্যনিয়ন্ত্রকবদরগঞ্জ,রংপুর।